মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০১৫

সানি লিওনের অতীত জীবনের দুটি "অন্যরকম" ছবি

 যে সাবেক পর্ণ তারকাকে পুরো পৃথিবী সানি লিওন নামে চেনে, তাঁর আসল নামটি হচ্ছে "করণজিৎ কউর ভোহরা"। অনেকেই এটা জানেন না যে জন্মসূত্রে সানি লিওন ভারতীয় পাঞ্জাবী, যদিও জন্ম ভারতের বাইরে। অসংখ্য পর্ণ ছবির জন্য বিতর্কিত এই তারকা ম্যাক্সিম বিশ্বেসেরা ১০ পর্ণতারকার একজন হিসেবে নির্বাচিত হন ২০১০ সালে এবং বলিউডের সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন ২০১২ সালে। পূজা ভাটের বিতর্কিত সিনেমা "জিসম ২" দিয়ে ঘটে রূপালি পর্দায় সানি লিওনের অভিষেক।
আজকের এই যে ঝলমলে পর্ণ তারকা সানি লিওন, কেমন ছিলেন তিনি তাঁর ছোট বেলায়?
সানি লিওন নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করেছিলেন নিজের ছেলেবেলার একটি ভারি মিষ্টি ছবি। এদিকে উইকিপিডিয়া ঘাঁটলেই সানির কৈশোর-তারুণ্য নিয়ে পাওয়া যাবে নানান বিতর্কিত গল্প। কেমন ছিলেন সানি নিজের সেই উঠতি বয়সে? দেখুন সানি লিওনের অতীত জীবনের এমন দুটি ছবি, যা নিঃসন্দেহে আপনাকে বিস্মিত করবে। কে ভেবেছিল যে এই মিষ্টি মেয়েটি বড় হয়ে একদিন পর্ণ তারকা হবে!


















সূত্র: এমটিভি ইন্ডিয়া

Post Comment

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি পড়লেন ফেমিনিস্ট আইকন মুকুট

হলিউডি অভিনেত্রী ও নির্মাতা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি নিজের জীবনে তিনি যেভাবে নারীত্ব উপভোগ করেন,তাতে অনুপ্রাণিত হয় নারীশক্তি। ক্যান্সার হতে পারে এ কারনে স্তন ও জরায়ু কেটে ফেলেছেন তবুও তিনি নারীত্বের মহিমায় উজ্জ্বল। তিনি বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছেন নারী শুধু শরীরে নয়! নারী মেধা, হৃদয়, মস্তিষ্কে অনন্য। তাই শ্রেষ্ঠ ফেমিনিস্টের আইকন মুকুট শেষ পর্যন্ত উঠলো তার মাথাতেই।
ধর্ষণের বিরুদ্ধে তার প্রচারণার জন্যই মূলত এই খেতাব জিতেছেন তিনি। তিনিই যে ফেমিনিস্ট আইকন হবেন, তা প্রত্যাশিত ছিল। সাধারণ মানুষের ভোটও প্রমাণ করলো সে কথা। ‘রোজ অ্যান্ড উইলার্ড’ নামের এক প্রতিষ্ঠানের জরিপের ফলেই অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এই সম্মান পেয়েছেন। এ জরিপের তত্ত্বাবধায়ক ফেমিনিস্ট ফ্যাশন হাউজের প্রতিষ্ঠাতা হেইডি রেহমান বলেন, ‘আমরা নারীর ক্ষমতা এবং তাদের নারীত্বটাকে বিশেষভাবে তুলে ধরার বিষয়টি বিবেচনা করেছি এবং ধর্ষনের বিরুদ্ধে প্রচারণাকে যেভাবে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন জোলি, তাতে এই সম্মাননা তার প্রাপ্য। জোলি সে কাজটি ভালোভাবেই করেছেন।’
ফেমিনিস্ট আইকন হিসেবে দ্বিতায় স্থানে থাকা এমা ওয়াটসনের ক্যাম্পেনের নাম ‘হি ফর শি’। নারী পুরুষকে পাশাপাশি রাখার এমন প্রয়াস স্বীকৃতি পেল। এছাড়াও সেরা ফেমিনিস্টের তালিকায় ছিলেন টেইলর সুইফট, বিয়ন্সে নোয়েলস, প্যাট্রিসিয়া আর্কেট প্রমুখ।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

Post Comment

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০১৫

শিখে নিন তেজপাতা দিয়ে দাঁত ঝকঝকে সাদা করার কৌশল!

দাঁতকে ঝকঝকে সুন্দর করার জন্য কত কিছুই না করেন আপনি। দামী টুথপেস্ট থেকে শুরু করে ডেন্টিস্টের কাছে দামী ট্রিটমেন্ট, সবই কেবল হলদে দাঁতগুলোকে সাদা করার জন্য। না, আজ থেকে আর কিছুই করতে হবে না, সাধারণ তেজপাতা দিয়েই প্রাকৃতিক উপায়ে সুন্দর করে নিতে পারবেন আপনি আপনার দাঁতগুলো? কীভাবে? চলুন, জেনে নিন দাঁত সুন্দর করতে তেজপাতা ব্যবহারের প্রণালি।
দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী, তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোন টক ফলের সাথে। যেমন ধরুন কমলা বা লেবুর খোসা।

যা যা লাগবে

তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে)
কমলা ও লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ)
মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২/৩ টি

প্রণালি

  • -তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন।
  • -কমলা বা লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সাথে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
  • -সব উপকরণ সামান্য লবণ সহযোগে একত্রে মিশিয়ে নিন।
  • -ফলের খোসা শুকিয়ে নেয়া জরুরী। কাঁচা অবস্থায় দাঁতের ক্ষতি করবে।

ব্যবহার বিধি

এই গুঁড়োটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট।
সূত্র-
Herbs to whiten your teeth naturally
stethnews.com

Post Comment

আমির ও সালমানকে ছাড়িয়ে গেলেন শাহরুখ!

অর্থ উপার্জনের দিক থেকে বলিউড বাদশাহ খ্যাত শাহরুখের থেকে সালমান ও আমির খান এগিয়ে থাকলেও একটা জায়গায় দুজনকেই অতিক্রম করে গেলেন কিং খান। হ্যাঁ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারের ফলোয়ার সংখ্যায় সালমান খান ও আমির খানকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেলেন শাহরুখ! টুইটে তার বর্তমান ফলোয়ার সংখ্যা ১২ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে।
শাহরুখ খান টুইটারে সুপার অ্যা
ক্টিভ, এটা তার ভক্ত অনুরাগী মাত্রই জানেন। কোনো কোনো সময় ভক্তকে রিটুইট করেও চমকে দেন এই এই সুপার স্টার। টুইটারে তিনি শুধু তার পেশাদারিত্বের বিষয়গুলোই শেয়ার করেন না, বরং পারিবারিক সুখ, দুঃখগুলোও তার ভক্ত অনুসারীদের সাথে ভাগাভাগি করেন।
টুইটে ১২মিলিয়ন ফলোয়ার হওয়ায় বলিউড বাদশাহ শাহরুখ হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে #এসআরকে১২মিলিয়ন লিখে ভক্তদের অভিবাদন ও ভালোবাসা জানান।
উল্লেখ্য, শাহরুখ যখন টুইট রেসে ১২ মিলিয়নের ঘরে পৌঁছে গেলেন, তখন তার ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন বন্ধু আমির। আমিরের টুইটে ফলোয়ার সংখ্যা ১১.৯মিলিয়ন; অন্যদিকে দাবাঙ্গ খ্যাত নায়ক সালমান খানও রয়েছেন তারপরই। টুইটারে সালমানের ফলোয়ার সংখ্যা ১১.২ মিলিয়ন।
সুত্রঃ ইন্টারনেট 

Post Comment

মাতৃভাষায় সিনেমা করতে আগ্রহী বিদ্যা!

বলিউডে ‘ডার্টি পিকচার’, ‘কাহানি’র মতো সিনেমা করে যখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে রয়েছেন, তখন নিজের ভাষায় বা পিছিয়ে থাকবেন কেন বিদ্যা বালান? তামিল বিদ্যার মাতৃভাষা আর খুব শিগগির এই ভাষায় সিনেমা শুরু করতে যাচ্ছেন বিদ্যা বালান। এ জন্য তিনি পরিচালকের সাথে চুক্তিও করেছেন।
সম্প্রতি চেন্নাইতে এক অনুষ্ঠানে তিনি জানালেন, তামিল সিনেমা ছিল তার জীবনের স্বপ্ন। কিন্তু, ভালো মানের চিত্রনাট্য না পাওয়ায় তিনি এখনো এ ভাষায় সিনেমা করতে পারেননি। এদিকে পরিচালক কমল হাসানের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, সিনেমায় বিদ্যার পরিবর্তে অন্য কাউকে আনার কথা তিনি আপাতত ভাবছেন না। কমল হাসানের পরবর্তী সিনেমাতেই বিদ্যা থাকছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।
২০০৫ সালে ‘পরিণীতা’ ছবি দিয়ে বলিউডে তার অভিষেক ঘটে। ‘হেই বেবি’ ও ‘কিস্মত কানেকশন’ এমন গ্ল্যামারাস চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সমালোচিত হলেও ‘ইশকিয়া’, ‘নো ওয়ান কিলড জেসিকা’,’ডার্টি পিকচার’, ‘কাহানি’তে প্রশংসনীয় অভিনয় করে তিনি পেয়েছেন দারুণ জনপ্রিয়তা। ‘ডার্টি পিকচার’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ২০১১ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন।
সূত্র: বলিউড লাইফ

Post Comment

২০১৫ বিশ্বকাপের আট তথ্য

পর্দা নেমেছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের। কিন্তু এখনো শেষ হয়নি উত্তেজনা। শেষ হয়নি আলোচনা আর সমালোচনাও। সবশেষে অস্ট্রেলিয়া শিরোপা জয়ী হলেও, ব্যক্তিগত পারফর্মেন্সের দিক দিয়ে কারা এগিয়ে সেটা জানতে আগ্রহী অনেকেই। আজকের আয়োজনে থাকছে সেরকমই কিছু তথ্য।
১। মাত্র শেষ হওয়া ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশী ১৫টি ছয় খেয়েছেন জিম্বাবুইয়ান পেসার পানিয়াঙ্গারা।
২। সবচেয়ে বেশী ৬২(!) টি চার খেয়েছেন রানার্সআপ দল নিউজিল্যান্ডের পেসার টিম সাউদি।
৩। নিউজিল্যান্ড দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ড্যানিয়েল ভেট্ট্ররির বলে এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৭৪ রানের সিঙ্গেল নিয়েছে ব্যাটসম্যানরা।
৪। সর্বোচ্চ ৩৩৬টি ডট বল করেছেন ট্রেন্ট বোল্ট।
৫। সবচেয়ে বেশি সিঙ্গেল(১৮০ রান) নিয়েছেন লঙ্কান ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারা।
৬। সব থেকে বেশি ২৯৯টা ডট বল খেলেছেন আফগানিস্তানের শেনওয়ারি।
৭। উইকেটরক্ষক হিসেবে বেশি ডিসমিসাল করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্রাড হাডিন। ১৬বার। (বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম আটবার)

Post Comment

সকালবেলা খালি পেটে চা নাকি কফি, কোনটা ভালো আপনার জন্য?

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চায়ের পেয়ালা হাতে বসা বাঙালির বহু পুরনো অভ্যাস। সাথে হয়তো একটু বিস্কুট বা মুড়ি বা টোস্ট সঙ্গী অনেকের। অনেকের সঙ্গী স্বাস্থ্যকর রঙ চা। ঘুম থেকে উঠে চা না হলে আমাদের অনেকেরই দিনই শুরু হয় না মোটেও। আজকাল অবশ্য এই চায়ের স্থান দখল করে নিয়েছে কফি। অনেকেই সকাল সকাল ঝুঁকে যাচ্ছেন এক পেয়ালা ধূমায়িত কফির দিকে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে কোনটি ভালো আপনার জন্য, চা নাকি কফি? চলুন, জেনে নিই।
সত্য কথাটি হচ্ছে, সকাল বেলা চা কিংবা কফি দুটিই আপনার জন্য খারাপ! হ্যাঁ, যুগে যুগে কালে কালে ঘুম থেকে উঠেই চা/কফির মত ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় পান করার অভ্যাস বিশ্বজুড়ে প্রচলিত। কিন্তু অভ্যাসটি আসলে ভালো নয় একটুও। হয়তো চা-কফির সাথে আপনি একটু বিস্কিট, মুড়ি বা টোস্ট খাচ্ছেন কিন্তু সেটা আসলে বিশেষ কোন উপকার করে না। সকাল বেলা খালি পেটে চা-কফি খাওয়া আপনার পাকস্থলীর ক্ষতি করে, হজমের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বৃদ্ধি করে, শরীরকে অনেক বেশী পানি শুন্য করে ফেলে। এসব ছাড়াও আছে হরেক অপকারিতা।
স্পনি যখন সকালে ঘুম থেকে ওঠেন, দীর্ঘ ৮-১০ ঘণ্টা পাকস্থলী খালি থাকার ফলে স্বভাবতই খিদে পায়। খিদে না পেলেও শরীর কিন্তু এই সময়ে খাবার ও পানির জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকে। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই এক গ্লাস সাধারণ তাপমাত্রা বা উষ্ণ তাপমাত্রার পানি পান করা উচিত এবং সেটা আপনার জন্য খুবই ভালো। আপনি চাইলে পানিতে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। কিন্তু চা-কফি পান কখনোই করা উচিত নয়।

তাহলে চা-কফি কখন?

অনেকে সকালের নাস্তার পরইপরই চা কফি পান করেন। নাস্তার আগে চা-কফি তো চলবেই না, নাস্তা করার ঠিক পর পরও নয়। চা পাতার এসিডিক উপাদান প্রোটিন জাতীয় খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে। এছাড়াও খাওয়ার পরপরই চা-কফি পান করলে খাবার হতে আয়রন শোষিত হয় না। চা-কফি যদি পান করতেই হয়, সেটি করুন নাস্তা করার ২০-৩০ মিনিট পর। রঙ চা হোক, গ্রিন চা হোক কিংবা চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি, যতই স্বাস্থ্যকর পানীয় হোক না কেন সকাল বেলা খালি পেটে ক্যাফেইন জাতীয় কোন পানীয়ই আপনার জন্য ভালো নয়।

Post Comment

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৫

ইউটিউবেই দেখা যাবে ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও!!!

মোবাইল ও ডেস্কটপ দুই ধরনের যন্ত্র থেকেই ইউটিউবে ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও দেখা যাবে এবং আপলোড করা যাবে। তবে এখন শুধু অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন বা ক্রোম ব্রাউজারের এমবেডেড ভার্সনের মাধ্যমে দেখা যাবে। পরে আইওস অপারেটিংয়েও এই সুবিধা থাকবে। এখন ইউটিউবে হাতেগোনা কয়েকটি ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও দেখা যায় কিন্তু এই সুবিধার ফলে এর সংখ্যা আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্ট্রিটভিউntvbdতেও গুগল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চাইছে। গুগল ম্যাপেও এই ভিডিওগুলো যোগ করা হতে পারে। মজার বিষয় হলো আপনার ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে যদি এই ভিডিও অ্যানড্রয়েড মোবাইল সেটে নেওয়া হয় তাহলে রীতিমতো চমকে উঠবেন। কারণ তখন দেখবেন শুধু আপনার মোবাইল বা ট্যাবটিকে ঘুরালেই ভিডিওটি প্যান করছে। কাজেই মাথা না ঘুরিয়েই আপনি পেয়ে যাবেন ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অভিজ্ঞতা।
ইউটিউবকে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরার সাথে সামঞ্জস্য করে তোলার জন্য এ ধরনের ক্যামেরার নির্মাতাদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ।
*এই খবরটি এর আগে এনটিভি অনলাইন এ প্রকাশিত হয়েছে।

Post Comment

যে গ্রামের মানুষ একটানা ঘুমায় ৭ দিন!

ঘুমবিলাসী অলসদের জন্য প্রতিবেদনটা চমৎকার। শিরোনাম দেখেই হয়তো ঠিক করে ফেলেছেন,
ঠিকানা জোগাড় করে চলে যাবেন ঘুম পাড়ানি গ্রামে। এর পর আয় ঘুম আয়…
কিন্তু বাস্তবে ঘুম পাড়ানি গ্রামের বাসিন্দাদের ঘুমুতে ঘুমুতে ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থা। ২০১০ সালের পর থেকে এরা ভুলে গেছেন ঘুম পাড়ানি পিসি মাসির ছড়া। এখন হয়তো প্রতিদিনই উল্টো ছড়া কাটেন, যা ঘুম যা…। কাজাখিস্তানের উত্তর এলাকায় পাহাড়ি উপত্যকা কালাচি। এলাকাটা একসময় সুভিয়েত ইউনিয়নের আওতায় ছিলো।
তখন এর পাশেই ছিলো তেজষ্ক্রিয় পদার্থ ইউরেনিয়ামের খনি। ইউরেনিয়াম উত্তোলন শুরু হওয়ায় কালাচির পার্শ্ববর্তী শহর ক্র্যাসনগোরকসক ছেড়ে লোকজন চলে যায়। বর্তমানে শহরটি
একটি পরিত্যক্ত প্রেতপুরী। আর কালাচি গ্রামে বাসিন্দারা থেকে গেলেও এরা তন্দ্রায় আচ্ছন্ন। অনেকে ধারণা করছেন এ খনি খাদ থেকে বিকিরণের কারণেই যখন তখন ঘুমে ঢলে পড়ছেন কালাচি গ্রামের বাসিন্দারা। কিন্তু আসল রহস্য এখন পর্যন্ত কেউ উদঘাটন করতে পারেন নি।
কালাচির বাসিন্দা আলসু শেলাডেভা বলেন, খনিখাদ থেকে প্রায়ই মিষ্টি এক ধরনের গন্ধ বেরিয়ে আসে। খনি থেকে বাতাস ও ধুয়া আসে। আরেক বাসিন্দা ইগোর সামুসেনকো বলেন, আমার ছেলেটা সারাদিন টই টই করে ঘুরে। কিন্তু ঘরে ফিরলেই তন্দ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। ঢলে পড়তে থাকে বিছানায়। কেউ তাকে জাগাতে চাইলে চোখ খোলার চেষ্টা করে। কিন্তু পারে না। তিনি জানান, কালাচি গ্রামটি ঘুমের উপত্যকা নামেই পরিচিত। দিন নেই, রাত নেই হঠাৎ হঠাৎই লোকেরা ঘুমে ঢলে পড়ে। ঘুমের ওপর মোটেও নিয়ন্ত্রণ নেই বাসিন্দাদের।
স্থানীয় বেলকোভা রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম রাশিয়ান টুডেকে জানান, ২০১০ সাল থেকে এখানে ঘুম রোগ শুরু হয়। এ সমস্যাটি এর পর আরো দেখা দিতে থাকে।

Post Comment

ল্যাপটপের ব্যাটারির যত্ন নিবেন যেভাবে

ব্যাটারির চার্জ যতক্ষণ থাকার কথা, ততক্ষণ থাকছে না। ব্যাটারি গরম হয়ে যাচ্ছে। ল্যাপটপের ব্যাটারি নিয়ে এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। ব্যাটারির কিছু যত্ন নিলে আর ঠিকঠাক এটি ব্যবহার করলে অনেক সমস্যাই দূর হয়ে যায়।

ব্যাটারির সাধারণ যত্ন
১)পরিবেশগত বাহ্যিক তাপ ব্যাটারির শক্তিকে কমিয়ে দেয়। তাই সরাসরি সূর্যের আলোয় ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না।
২) পুরোপুরি (ফুল) চার্জ হয়ে গেলে বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে চার্জার খুলে নিয়ে ব্যাটারি থেকে ল্যাপটপ চালান। সব সময় চার্জার যুক্ত করে রাখা ঠিক নয়, এতে অতিমাত্রায় গরম হয়ে ব্যাটারি তার কর্মক্ষমতা হারায়।
৩) চার্জের জন্য ল্যাপটপের আসল চার্জার ব্যবহার করুন।
৪)ল্যাপটপের ভেতরের তাপ যাতে সহজে বাইরে বের হয়ে আসে, এ জন্য বাতাস বেরোনোর রাস্তা পরিষ্কার রাখতে হবে।
৫)পাতলা কাপড়ে তরল পরিষ্কারক এয়ার ভেন্ট এবং ব্যাটারির সেল মুছে নিতে পারেন।
৬)চার্জ প্রায় ৪০ শতাংশ রেখে ব্যাটারি খুলে শুষ্ক ও খোলামেলা জায়গায় রাখলে সেলের মান বাড়ে।

 যা যা করা যাবে না
১)ব্যাটারির চার্জ ১০০% হলে সেটি চার্জ নেওয়া বন্ধ করে সরাসরি বিদ্যুৎ থেকে শক্তি নিয়ে চলতে থাকে। ব্যাটারিতে বাড়তি চার্জ দেওয়া যাবে না।
২) চার্জ হচ্ছে এমন অবস্থায় কখনোই গেমস খেলা বা বেশি শক্তি লাগে এমন কোনো কাজ করবেন না।
৩)এক্সটারনাল যন্ত্রাংশ বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎশক্তি অপচয় করে থাকে। বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক থেকে সরাসরি ফাইল না খুলে কপি করে তারপর কাজ করুন।
৪)স্ক্রিন সেভার বেশি চার্জ খরচ করে। তাই এটি বন্ধ রাখুন।
৫) ল্যাপটপের সিডি বা ডিভিডি ড্রাইভে অযথা কোনো ডিস্ক রাখলে ডিস্ক ঘোরার সময় চার্জ খরচ হয় বেশি।
৬) গ্রীষ্মকালে গাড়িতে ল্যাপটপ চালালে অতিরিক্ত গরমে ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়; তাই এটি করা যাবে না।

সবাই কে ধন্যবাদ। 
 

Post Comment

ত্রপার হারিয়ে যাওয়ার গল্প

- আচ্ছা শুভ্র, তুমি কি আমি ছাড়া আর কোনো মেয়ের সাথে কথা বলো?
- আরেহ না, পাগল নাকি! কেন বলোতো?
- না এমনিই, বলো না প্লিজ
- তুমি থাকতে কেন আমি অন্যের পেছনে টাইম ওয়েস্ট করবো বলো তো? আমার কি খেয়ে আর কাজ নাই
- কিন্তু আমার কেন মনে হয় যে তুমি আমার কাছে কিছু লুকোচ্ছ?
- ত্রপা,এটা তুমার ভুল। তুমি তো আমাকে অনেক ভালোবাস তাই এইসব মনে হচ্ছে গো
- আমাকে ছুঁয়ে বলো,আমার কসম?
- এইযে তোমাকে ছুয়ে বললাম....তুমি আমাকে বিশ্বাস করোনা?
- আমার নিজের থেকেও বেশি বিশ্বাস করি কিন্তু তাও জানিনা কেনো তোমাকে হারানোর এতো ভয় হয়!তুমি আমাকে ভুল বুঝনা প্লিজ
- হুম অনেক হয়েছে,এখন ঘুমোবে চলো।.....এটা মুখে বললেও মনে মনে শুভ্র ভাবলো ত্রপাকে বিয়ে করে নিজেই বুঝি নিজের বিপদ বাড়ালো-আমার জন্য মেয়েরা পাগল হবে,কথা বলতে চাইবে তাতে তোর কি?তুই তো তোর জায়গাতেই আছিস,নাকি!-ও এইসব ভাবছে আর ওইদিকে ত্রপা পরম শান্তি আর বিশ্বাসে ওর বুকে মাথা রেখেছে!!!

Post Comment

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৫

নামজাদা বলিউড তারকাদের মজার যত আকর্ষণ ও দুর্বলতা



বলিউডের তারকা মানেই ঝাঁ চকচকে গ্লামার ও স্টাইল। তারা যা করেন, সেটাই যেন খবর। তাঁদের চলাফেরা, খাওয়া দাওয়া, পোশাক আশাক সবই যেন ভক্তদের জন্য অনুকরণীয়। অবশ্য তারাও মানুষ। আপনার-আমার মত তাঁদেরও আছে বিশেষ কিছু জিনিসের প্রতি আকর্ষণ, বিশেষ কিছু বস্তুর প্রতি ভালোবাসা। তারাও শখ করে এটা ওটা জমিয়ে থাকেন ঠিক আমাদের মতই। জানতে চান প্রিয় বলিউড তারকাদের মজার যত আকর্ষণ সম্পর্কে? তাহলে আপনার জন্যই এই ফিচার। তালিকায় আছেন বাদশা শাহরুখ থেকে শুরু করে প্রিয়াংকা চোপড়া, সানি লিওন, সালমান খান, কারিনা কাপুর সহ অনেকেই। 
(১) আমিশা প্যাটেল
 অনেক মেয়েই ব্যাগ কিনতে পছন্দ করেন। কিন্তু তাদের তুলনায় অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের ব্যাগের আগ্রহটা একটু বেশি বলেই জানা যায়। আর এই অভিনেত্রীর সংগ্রহে রয়েছে বহু মূল্যবান ব্র্যান্ডের ব্যাগ। এছাড়া জানা যায়, তিনি সপ্তাহে একবার করে তার ব্যাগগুলো পরিষ্কার করেন। 

Post Comment

শাহরুখের ৫টি রোমান্টিক টিপস


দুই দশকের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’, ‘কাল হো না হো’সহ অনেক রোমান্টিক ছবিতে কাজ করেছেন শাহরুখ খান। বাস্তব জীবনেও অনেক বেশি রোমান্টিক তিনি। ১৯৯১ সালে বিয়ের পর নির্ঝঞ্জাট কাটছে তার সংসার।
সম্প্রতি রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে শাহরুখ রোমান্সের ব্যাপারে কিছু মূল্যবান উপদেশ দিয়েছেন। শাহরুখের উপদেশ গুলো হলো-
১. কথা, কাজ কিংবা সাহসের দিক দিয়ে একজন নারীকে অসম্মান করবেন না।
২. ছোট খাট বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা। যেমন সম্মান দেখিয়ে নারীদের দরজা খুলে দেয়া এবং বসার সময় তারা বসার আগে না বসা।
৩. নারীদের সঙ্গে ভদ্র আচরণ করতে শিখুন।
৪. আমি কখনই কোনো নারীকে অপমান করিনি। নারীদের সঙ্গে আক্রমণাত্মক আচরণ করবেন না এমনকি তার সামনেও না।
৫. সেই সত্যিকারের পুরুষ যে তার নারীত্ব বুঝতে পারে। আমি আমার নারীত্বের স্পর্শেই নিজের পুরুষত্বকে খুঁজে পাই।
সুত্রঃ ইন্টারনেট 

Post Comment

শাহরুখের ব্যাপারে যে তথ্য গুলো চমকে দেবে ভক্তদের!

বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানকে চেনেনা এমন মানুষ খুব কম আছে। কিন্তু শাহরুখের সব বিষয় কি আর ভক্তরা জানেন! সাধারণ মানুষের মতো তারকাদেরও রয়েছে সুখ-দুঃখ, শখ, ভালোলাগা। শাহরুখের অজানা কয়েকটি বিষয় এখানে তুলে ধরা হলো যা নিমিষেই চমকে দেবে ভক্তদের।
১. ক্যারিয়ারের শুরুতে দরিয়াগঞ্জে একটি রেস্টুরেন্টের ব্যবসা শুরু করেছিলেন শাহরুখ খান। কিন্তু সফল হননি। পরবর্তীতে তিনি মিডিয়ায় আসেন এবং তার বেতন ছিল মাত্র ৫০ রুপি।
২. বলিউডে বিবেক ছিলেন শাহরুখের পরামর্শদাতা। মুম্বাইয়ে এসে শাহরুখের থাকার জায়গা পর্যন্ত ছিলনা। তখন তিনি বিবেকের সাথে থাকতেন।
৩. বলিউডে এসে শাহরুখ প্রথমে তার নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রশংসা পান। সবাই তাকে তখন ভিলেন চরিত্রেই অভিনয়ের উৎসাহ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে রোমান্টিক ছবি দিয়ে তিনি দর্শকের হৃদয়ের সত্যিকারের নায়ক হতে পেরেছিলেন।

Post Comment

অভিনেত্রী হতে চায় শাহরুখের মেয়ে সুহানা

অভিনেত্রী হতে চায় বলিউড সুপারস্টার শাহরুখের মেয়ে সুহানা খান। বর্তমানে ধীরুবাই আম্বানি হাই স্কুলে পড়ছে সুহানা। পড়াশুনার পাশাপাশি ফুটবল খেলায়ও দক্ষ সে। স্কুলের ফুটবল টিমের নেতৃত্বও দিচ্ছে সুহানা। সম্প্রতি অনুর্ধ্ব ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের ফুটবল টুর্নামেন্টে শিরোপাও জিতেছে সুহানার দল। জয়ের পর দেয়া সাক্ষাৎকারে সুহানা জানায় ফুটবলার নয়, অভিনেত্রী হতে চায় সে।
সাক্ষাৎকারে ১৩ বছর বয়সী সুহানা জানায়, “আমি বাবার দেখানো পথেই হাঁটতে চাই এবং অভিনয়কেই পেশা হিসেবে নিতে চাই। এ ব্যাপারে আমি বাবার সঙ্গে আলোচনাও করেছি। বাবা চায় আমি অভিনয় এবং ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশুনা করি। স্কুল শেষ করার পর অভিনয় শিখতে আমি বিদেশ যাবো, সম্ভবত আমেরিকায় এবং একদিন বাবার মতোই হবো।”
এর আগে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখও জানিয়েছেন, মেয়ে বড় হয়ে অভিনেত্রী হবে এটাই তার চাওয়া। তিনি বলেন, “আশা করি বড় হয়ে অভিনেত্রী হবে সুহানা। আমি তাকে বড় পর্দায় দেখতে চাই। আমি আমার মেয়েকে নিয়ে গর্বিত। তাকে অভিনেত্রী হিসেবেই দেখতে চাই আমি।”
সুত্রঃ ইন্টারনেট 

Post Comment

চিরচেনা কাজলকে চিনুন নতুন রূপে, জেনে নিন ১৬টি অজানা কথা

তার অভিনয় আপনাকে আন্দোলিত করে। তার চোখের জলের ছোঁয়া যেন লাগে আপনার চোখেও। হাজারো নারী হতে চেয়েছেন তার মতো আবার হাজারো পুরুষের হৃদয়ের রানীর আখ্যাও পেয়েছেন তিনি। কদিন আগেই পার হলো বলিউডের ‘বাবলি গার্ল’ খেতাব পাওয়া প্রিয়দর্শিনী অভিনেত্রী কাজলের ৪০তম জন্মবার্ষিকী। আসুন, আজ জানি আপনার প্রিয় সেই অভিনেত্রীর অজানা কিছু কথা।
(১) কাজল বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানুযা এবং পরিচালক শমু মুখারজির সন্তান। শুধু তাই নয়, বলিউডের অনেক নামজাদা অভিনেতা অভিনেত্রী যেমন রানী মুখারজি, নুতান, মনিষ বেহল এবং আয়ান মুখারজি এই অভিনেত্রীর কাজিন।

Post Comment

আমার বেতন ছিলো মাত্র ৫০রুপি: শাহরুখ

ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে যে ক'জন প্রভাবশালী অভিনেতা নিজের দক্ষতা আর নৈপুণ্যে স্বরাজ করে চলেছেন, তাদের মধ্যে শাহরুখ খান অন্যতম একজন। বলিউডের বাদশাহ নামেই তার খ্যাতি এখন। শাহরুখ অভিনীত ছবি মানেই বক্স অফিস তোলপাড়, বিলিয়ন বিলিয়ন রুপির ছড়াছড়ি। অথচ এই তারকারই প্রথম উপার্জন ছিলো মাত্র পঞ্চাশ রুপি, আর কাজ করতেন সিনেমা হলের টিকেট বিক্রেতা হিসেবে! ভাবা যায়!
হ্যাঁ, বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান এখন বিলিয়ন বিলিয়ন রুপি অর্জন করলেও তার প্রথম বেতন ছিলো মাত্র ৫০ রুপি। 'ইন্ডিয়া পৌঁছেগা সবছে শানা কৌন?' নামের গ্র্যান্ড ফিনালের অনুষ্ঠানে এমনসব কথা জানিয়েই উপস্থিত সবাইকে চমকে দিলেন! শাহরুখ তার জীবনের প্রথম চাকরি ও উপার্জনের কথা বলতে গিয়ে বলেন, আমি জীবনে প্রথম চাকরি নেই একটি সিনেমা হলে, যেখানে আমি টিকেট বিক্রি করতাম। আর সেখান থেকেই প্রথম বেতন পেয়েছিলাম ৫০ রুপি'!
অনুষ্ঠানে যখন নিজের সম্পর্কে শাহরুখ এসব বলছিলেন, তখন মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দর্শক শুনছিলো তার জীবনের প্রথম দিককার এসব কথা। শাহরুখ দর্শকদের আরো একটি স্বপ্ন পূরণের কথা শুনিয়ে ছিলেন, শুনিয়েছিলেন আগ্রার তাজমহল দেখার অ্যাডভাঞ্চারাস কাহিনী।
উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ার জনপ্রিয় ওই টিভি অনুষ্ঠানটির ফাইনাল এপিসোড প্রচারিত হয় গত ২৭ মার্চ।
সুত্রঃ ইন্টারনেট 

Post Comment

প্রথম ছবিতে দয়া করে সুযোগ দেয়া হয় শাহরুখ খানকে

বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান বলিউডে অফিশিয়ালি পা রেখেছিলেন তাঁর প্রথম ছবি ‘দিওয়ানা’ দিয়ে। এরপর ২২ বছর ধরে রাজত্ব করছেন বলিউডে। কিন্তু এখনো নাকি ‘দিওয়ানা’ ছবিটা দেখেননি তিনি। কিং খান তাঁর ট্যুটার অ্যাকাউন্টে জানিয়েছে এ কথা। এমনকি তিনি এ-ও জানিয়েছে, তিনি ঠিক করেছেন তাঁর প্রথম ও শেষ কাজ তিনি দেখবেন না। দিওয়ানা ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯২ সালের ২৫ জুন।
ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন রাজ কানওয়ার। ছবিতে শাহরুখের সঙ্গে ছিলেন দিব্যা ভারতি ও ঋিষি কাপুর। এই ছবির শুরু থেকেই ছিল বিভিন্ন গল্প। এই ছবির জন্য শাহরুখ পরিচালকের প্রথম পছন্দ একেবারেই ছিলেননা। শাহরুখের আগে এই ছবির অফার গিয়েছিলে আরমান কোহলির কাছে। আরমান না করে দেওয়ার পরই শাহরুখকে এক প্রকার দয়া করেই ছবিতে নিয়েছিলেন পরিচালক। যদিও এই ছবিতে কাজ করার খুব একটা ইচ্ছা শাহরুখেরও ছিল না। কিন্তু তখন তিনি নতুন তাই মেনে নিয়ে ছিলেন পরিচালকের খামখেয়ালিপনা। ছবিতে প্রধান চরিত্র না থাকলেও এই ছবিই শাহরুখের জীবন একেবারেই বদলে দেয়। এরপর একের পর এক ছবি নিজের ঝুলিতে ভরে পরিচালকের সেই দয়ার পাত্র হয়ে উঠলেন আজকের বলিউডের বাদশা।

Post Comment

একটা নীল আকাশ, চার রঙা মেঘ

১।
রুমটা একদম অন্ধকার। চারপাশ মশা আর হাবিজাবি লক্কর-ঝক্কর জিনিসে ভর্তি। হলের স্টোররুম তো, তাই। টিউবলাইট যদিও একটা আছে কিন্তু তা জ্বালাবার কোন চান্স নেই। ছেলেগুলো পিয়াল আর দিপুকে ধাক্কা মেরে ফেলে যাবার সময় সুইচবোর্ডের কাটআউটসুদ্ধ খুলে নিয়ে গেছে। ইচ্ছামত চড় থাপ্পড় ঘুষি দিয়েও তৃপ্তি মেটে নাই, আবার এই অসহ্য টর্চারিং। ফলাফল, শীত শীত গুমোট অন্ধকারে বসে আপাতত ঠাস-ঠুস মশা মারা। দিপু ঠিক তাইই করতেছে, আর মাঝে মাঝে কি যেন গুনগুনায়। পিয়াল চুপচাপ। ওর নিচের ঠোঁট অনেকখানি কেটে গেছে, রক্ত জমাট। টের পায় কয়েকটা মশা বসছে রক্তের উপর। দিপুর কি অবস্থা জিজ্ঞেস করেনি। ঠোঁট একটু নাড়ালেই কাটা জায়গায় জ্বলে। ডানহাতের পাতা হালকা কাপতেছে, সম্ভবত অনেকগুলো মশা একসাথে কামড় বসানোর কারণে। দিপুর হঠাৎ কাশি ওঠে, জোরে জোরে দম লাগিয়ে কাশে। গলা উগড়ে কাশে আর থু ফেলে। পিয়ালের ধারণা, ঐ থু এর মধ্যে রক্তের ফ্যানাই বেশি।
শীতের রাত; একটু একটু করে সময়ের কাটা বেড়ে চলছে। পাশের রুমে ছেলেগুলোর উত্তেজিত গালিগালাজ শোনা যায়। ঠান্ডা দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে নর্মাল বসে থাকে পিয়াল, দিপু। কিছুক্ষন পর অথবা ভোর হবার আগেই ওদের মেরে ফেলা হবে, এটা ওরা ভালমতই জানে। হলশাখার সাধারণ সম্পাদক রাতুল ভাইকে ফোন দেয়া হয়েছে, সে এলেই ডিসিশন। কাজ শেষে তারপর ওদের লাশদুটো হয়ত ফেলে দিয়ে আসবে ভার্সিটির একদম পিছনের কোন এক চিপায়। কিংবা আসলামের লাশের মত পুরো উধাও করে নাটকীয় প্রতিবাদ সভা সাজিয়ে চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে দোষ দেবে বিরোধী পক্ষের। যেটা ইচ্ছা করতে পারে। এদেশে এসবের নামই তো পলিটিক্স; পলিটিক্সের শিল্প।
দিপু মশা মারার একফাকে খেকিয়ে ওঠে, "ধুর! মেজাজ গরম লাগতাছে! ঐ পিয়াল, তোর কি মনেহয়? আমগো ডিরেক্ট খতম নাকি হাড্ডিগুড্ডি ভাইঙ্গা গলায় ঝুলাবে, হুম?"
- তোর বাচঁতে ইচ্ছা করতেছে, নারে দিপু?

Post Comment

শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০১৫

হেনাবু

পৃথিবী.....
আহ!
আলো,বাতাস।
সবুজ গাছপালা।
পাহাড়,চর।
বৃষ্টি, কুয়াশা,ঝড়!
আরও কত রূপ!
আহ,পৃথিবী!
পিলপিলিয়ে হেঁটে বেড়ানো মানুষ। বিড়বিড় করা খেয়ালী কবি! আনমনা প্রেমিক প্রেমিকা!
একটা সময় আমার নিজের ও প্রেম করার স্বপ্ন ছিল। ভাবতাম,খুব আপন একটা ভালবাসার মানুষ থাকবে। বেশ কিছু পাগলী পাগলী স্বপ্ন থাকবে। তাতে মায়া থাকবে। অভিমানী কান্না থাকবে! ভুল ছিলাম কি? চাওয়াটা ও কি বেশী ছিল?
অথচ,এই পৃথিবীর ই একটা কোণে আমার জন্ম। মায়ের মত মায়াবতী কোন দেশে। সবাই আদর করে ডাকে,বাংলাদেশ!
আমি জানতাম,পূর্ব পাকিস্তান.......!
অর্জুনতলা। নোয়াখালীর ছোট্ট একটা গ্রাম! শান্তির নীড়। যেন স্বর্গ থেকে তুলে আনা হয়েছে একে। এ গ্রামেই আমার জন্ম! আবছা মনে পড়ে,মায়ের ফর্সা ক্লান্ত মুখটা। ঘামে ভেজা হাসি। আমি অবাক হয়ে ভাবতাম,এত্তো মায়া! কারো হয়? আচ্ছা, মা কি এখনও বেঁচে আছেন? এপাশ ওপাশ তাকিয়ে,আগের মত আমাকে খোঁজেন?
আর রুনু? ও কতটুকু হয়েছে? তার হেনাবুর কথা সে মনে রেখেছে তো? বাবু ফিরেছিল তো? নাকী.......
কতগুলো দিন পেরিয়ে গেল! অথচ মনে হয়,এইতো সেদিন ও এই গ্রামের প্রতিটা অলিগলি চষে ফিরেছি আমি! মাঠের পর মাঠ,সরিষাক্ষেত সব ছুঁয়ে দৌড়েছি। খাল-পুকুর দাপিয়ে বেড়িয়েছি। পাকা কাঁচা ফলের নামকরা তস্কর হয়েছি!
স্মৃতিগুলো কত স্পষ্ট!
কত জীবন্ত!
মনে হচ্ছে কান পাতলে এখনও শুনতে পাব,রুহুল চাচার চীৎকার। রাগে উনি ক্ষেপা ষাড়ের মতই চেঁচাতেন। মায়ের কাছে এসে তার সে কি নালিশ! হাত পা নেড়ে রাগী সব অভিযোগ!
"ভাবী,আন্নের ডাকাইত মাইয়া আঁর হুরা গাছ সাফ করি দিসে! ডাক দিতাম গেছি,হেতি কানেও তুলে ন! ব্যবস্তা নেন কইলাম। বিয়া দিয়া দেন! নইলে,আরও কত আকাম কইরব আল্লা মালুম!"

Post Comment